Tuesday, September 2, 2014

Sahasika Arunima Roy, A poem by Kishore Kumar Biswas

সাহসিকা অরুণিমা রায়
কিশোর কুমার বিশ্বাস (৯৮৮৩১৩৯০৭৮)

তুই ভয় পাস্ না
শুধু একবার! এক নজর দেখে যা!
       আমার পুত্রের বয়স এখন সতের
পাঁচফুট দশ-ইঞ্চি লম্বা,ফর্সা,
তোর মতই সুপুরুষ - সুন্দর
খুশির আলোয় ভরেছে - আমার ঘর।
ও এবার, বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছে
তোকে ছাড়া, এই সুখবর! আর কাকে বলব- বল?
ওর যে - এমন চমকানো ফলাফল।
     ও আজ প্রথম, সেলুন থেকে দাড়ি কাটিয়ে
বাড়ি ফিরে এলো, চান করে ভক্তি ভরে-
তোর - স্বর্গীয়, কাল্পনিক ছবিতে পুজো দেবে 
পিতৃধ্যান- ঈশ্বরজ্ঞান, কাল্পনিক অশ্রুবর্ষণ। 
    তবু তুই ভয় করবি না -
শুধু একবার এসে - এক নজর দেখে যা।
পুত্রের নাম রেখেছি  ব্রহ্মানন্দ ব্রহ্ম!
আর আমি! এখন শ্রীমতী অরুণিমা ব্রহ্ম,
তুই এলে - তোকে একটা প্রণাম করব!
অতএব! ভয় পাস্ না -
শুধু একবার - এক নজর দেখে যা।
কাউকে ক্ষতি না করে 
পরনিন্দা পরচর্চা ছেড়ে, বাঁচার প্রয়োজনে ভালোবেসে
অযথা  মরে না গিয়ে, বেঁচে থেকে 
জাগতিক অবৈজ্ঞানিক পাপ করলে -
মানবিক কৃতজ্ঞতা বোধ থাকলে 
সে পাপ  - পাপ নয়, অমৃত হয় -
ইতি তোর সাহসিকা অরুণিমা রায়
আয়! শুধু - একবার আয়!


Saturday, November 23, 2013

HIROSHIMA By Balak Suman

---[হিরোসীমা]---

সাম্রাজ্য বিস্তারের
হানাহানি
রক্তাভাব যখন
রক্তাক্ত বিশ্বময়
নাহি চাহি মানব,শূধুই
মানব বোমা
যাক না হয় কটা বিশ্ব
মহাপ্রলয়ে।
জাগিয়াছে মানুষ,নয়
নিজ মহিমান্বেষণে
শুধু আত্মবিক্রি তব
ক্রুড় হস্তান্তরহ
নিজ ঘর-মায়া ছেরে
যাও পর ঘর ভাঙন
অভিযানে...
কি দোশ ছিল শিশুটার
যে ভূমিষ্ঠ হলো কাল
রাতে
এতটুকু নাই তার
অধিকার
দেখতো প্রথম সূর্য
আজিও প্রাতে...
দেখলো তো আলো নিশ্চ
নয় সূর্য,তার চেয়েও
বড়ো
আগুনের হাহাকার...
কথা ছিল কাল রাতে
আজিও দিবসে,প্রথম
নয়ন খোলা...
কিছু কথা হয়েছিল শু
কিছু ছিল চুপচাপ
মনের অতল গভির
থেকে আসা
প্রেম কম্পন
টা হলো না সঞ্চালন
তার আগেই উগরে দিল
গগনভেদি আকাশ
উদ্ঘাটন ।
প্রথম স্যালারী ছিল
আজ
বোন ব্যাস্ত,
মা চিন্তিত, আজ
বারতি কিছু কাজ..
মনে মনে করা সেই
লিষ্ট
দেখলো না দোকানি,
হলো না সময়, শুধু সময়
এলো করার অনুতাপ....
চলছিল সবই ঠিখঠা
আসলো বিরতি,
আসলো মনুষত্ত্বের
অভিশাপ..
নয় আনবিক, এ
যে মানবিক বোমা...
এতটুকু রইল না ছাই
তবু পুড়লো হিরোসীমা ।

-=>বালক সুমন<=-

Tuesday, May 28, 2013

Moumita Ghoshal er Kobita Rater Rajani Gandhaguli Ekhono

রাতের রজনীগন্ধাগুলি এখনো

মৌমিতা ঘোষাল


রাতের রজনীগন্ধাগুলি এখনো
নিঝুম, নিশ্চুপ!
কার অপেক্ষায় তারা এখনোও!
সে তো নেই...

তবুও,
রাতের রজনীগন্ধাগুলি এখনোও,
অম্লান,নিষ্পাপ!
কিন্তু কেন?
কিসের আশায় তারা এখনোও?
কার হাতের ছোঁয়া পেতে ব্যাকুল তারা?
কই?
সে তো নেই!
তবুও কেন এই অপেক্ষা?
ব্যাকুলতা?
দূর করে দাও,এই জঞ্জা ল সব!
এই গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসছে আজ!

Friday, April 12, 2013

Monday, March 11, 2013

কবিতা - বিবেকানন্দের প্রতি - পরিমল কামিলা


বিবেকানন্দের প্রতি

পরিমল কামিলা, (পূর্বমেদিনীপুর)

ওগো জীবনের দূত,ওগো সন্ন্যাসী-
মেটাতে বিশ্বের ক্ষুধা
এনেছ অমৃত সুধা
স্বর্গলোক হতে,
জ্বালিয়া প্রদীপের শিখা
ধরেছ কম্পিত শাখা
অরণ্যের পথে ।
ওগো চেতনার দাতা,ওগো ক্রন্দসী-
গড়িয়া প্রাচ্যের ভূমি
স্নিগ্ধের মায়াজ্বাল বুনি
রেখেছ আকীর্ণ করি,
ভ্রমিয়া শৃঙ্খলহীন
হয়েছ তুমি অতি দীন
অসীম সমুদ্র ভরি ।
ওগো বিবেক দেবতা,ওগো অগ্রণী-
প্রভাত সূর্যের মতো
আঁধার হরিয়াছ যত
তামস পৃথিবীর,
অনন্ত চিন্ময় ধারা
অঙ্কিত করিয়াছে ধরা
তুলিয়াছে শির ।
ওগো তরুনের বল,ওগো ব্রহ্মঙ্গানী-
আজ নবীন তরুনের দিশা
খোঁজে তোমা মিটিবারে তৃষা
সাগর মাঝেতে,
রেখো হাত জীবনের দরে
চেতনায় জাগ্রত করে
সকাল-সাঁঝেতে ।

Tuesday, March 5, 2013

Chandan Bhattacharya: Kobita-1

প্রতিবাদ প্রতিরোধের ঝড় উঠুক দিকে দিকে
চন্দন ভট্টাচার্য


এ আমরা কোথায় আছি! কোন যুগে করছি বাস!
এতো মধ্য যুগীয় বর্ব্বরতাকে হার মানায়।
মানুষ যখন পৃথিবীতে জন্মালো তখন নর-নারীগন উলঙ্গ হয়ে
বনে বনে ঘুরে বেড়াত কারন মানুষ তখন ছিল অসভ্য।
সেই সময়ে পুরুষেরা কামের লালসায় নারীর প্রতি কামাসক্ত
হয়ে পাশবিক অত্যাচার চালায়নি। নারীর উদরের তলদেশে
তার যৌনাঙ্গে ধারালো অস্ত্রে ক্ষত বিক্ষত করেনি।
আজ উনবিংশ বিংশ শতাব্দীতে সভ্যতার শিখরে পৌঁছে
আমরা কিনা চরম বর্ব্বর হয়ে গেছি।
এ চরম বর্ব্বরতা কি আমাদের মানায়!
প্রতিবাদ প্রতিরোধ করার সময় এসেছে আজ
সমগ্র দেশবাসীকে হতে হবে এককাট্টা
দামিনীর মতো আর যেনো কোন নারী নির্মম নিষ্ঠুর
পৈশাচিক পুরুষের পাশবিক অত্যাচারের শিকার না হয়
সমগ্র দেশের নারীজাতি যেন স্বাধীনভাবে নির্ভয়ে
চলাফেরা করতে পারে।
এই হোক আমাদের সবার চরমতম প্রতিজ্ঞা
(তাই)প্রতিবাদ প্রতিরোধের ঝড় উঠুক দিকে ।

Friday, October 19, 2012

No Vacancy by Hasanuj Jaman

No Vacancy
Hasanuj Jaman

নো ভ্যাকানসি
হসানুজ জামান

হামাগুড়ি দেওয়া শিশুটি
দুধ খেতে খেতে বড় হল একটু
সোহাগে আদরে তার সুন্দর শৈশবকাল
পাতা ওল্টাতেই কৈশোর, তারপর
যৌবনের রুক্ষতেজ
সব এলোমেলো, এলোমেলো সব
জীবনের খাজকাটা দোরে
ধাক্কা দিতে দিতে কড়া
পড়ে গেল,
পায়ের চটি ছিঁড়ে গেল
পিচঢালা রাস্তায় হাঁটতে হাটতে,
চোখের দৃষ্টি সৃষ্টিকে আস্বীকার
করতে লাগল
জতদূরেই চাই নাই শুধু নাই
কৈশোরে শুরু হওয়া প্রেমের
ভুরভুরে গন্ধ টাটকা যৌবনে
হারিয়ে গেল কোথায়!
দৃষ্টি কেবল পিচ ঢালা রাস্তায়
আবশেষে পথ হেঁট ঝোলান
বোর্ডে, চোখের সামনে পুরানো
সেই রোমান্টিক ছবি আর
নেই , ভেসে ওঠে রুদ্র করাল
রঙিনতাকে ছাপিয়ে যাওয়া রঙিনতর ছবি -
নো - ভ্যাকানসি।

Monday, October 15, 2012

Punya Hao Kabita by Soumyadeep Mandal

Punya Hao Kabita
Soumyadeep Mandal

পুণ্য হও কবিতা
সৌম্যদীপ মণ্ডল (ভগবানপুর, পূর্ব মেদিনীপুর)

তোমার পুরোনো গন্ধে লেগে থাকা
একমুঠো দীর্ঘশ্বাস;
হাতছানি দিয়ে ডাকে কাছে -
নিশিথের ঝরা ফুল।
সময়ের ক্লান্ত আলিগলি বেয়ে ঝরাফুল ফুটেছিল
কোন এক বসন্ত দিনে - সোনা সূর্য গায়ে মেখে।
আনমোনা, শিহরণের আতৃপ্ত পরম,
আহুত করেছিল তোমার বিজয়বার্তা,
কিন্তু -
শেষ চিঠিটা তমায় দিতে পারিনি,
শেষ কবিতা তোমায় নিয়ে লিখিনি,
ভোরের কু-আশার আন্ধগলিতে হারিয়ে গেলাম আমি।
তোমার ক্তহাভাবলেই নিঃশ্বাস ভারী হয়ে অথে;
খাওয়ার সময় যদি দাঁতে চেপে ধরি ঠোঁটটা -
ভাবি হয়তো তুমি নাম ধরো বা আমায় মনে করো।
আনমোনা মেঘগুলো আবার জমাট বাঁধে,
চোখ বন্ধ কর -
এই নাও আকাশ ছেঁচে বৃষ্টি তোমায় দিলেম -
উপহার।
বর্ষার শেষে মেঘটা ক্ষণিকের জন্যে
এক বালতি মুষলধারে বৃষ্টি দিয়ে গেলো।
ভেজো কবিতা তুমি শ্রাবণ-ধারায় ভিজে পুণ্য হও,
তাই কবিতা তোমায় দিলেম ছুটি।



Sunday, October 14, 2012

Ajatha Ashrupat by Rahul Bhattacharya

Ajatha Ashrupat


অযথা আশ্রুপাত
রাহুল ভট্টাচার্য

বাইরে বৃষ্টি পড়ছে ,
খানা খন্দ, মা্‌ঠ, ঘাট, জলে টই টুম্বুর
নর্দমার জল উপচে পড়ছে রাস্তায়,
জল ঝরছে আমার ঘরের চাল দিয়ে,
তবু কই! এ চোখে তো জল ঝরল না
সে বলল, ওরে মেঘ দরকার
তবে তো জল ঝরবে, 
আঘাত এলো জীবনে, একের পর এক,
        হৃদয়ে নাড়া দিল বার, বার -
        তবু, চোখের জল তো বের হল না,
        তবে কি মানুষ নই আমি!
        আবার সে বলে  উঠল-
        অন্য একটা চেষ্টা কর -
        অ্যাসিড দিয়ে জালালাম হৃদয়টাকে -
কিন্তু কোথায়! চোখের জল তো বের হল না,
        রেগে গিয়ে সে বলল
        দুর! তুই তো চণ্ডাল
        তোর চখে জল আসবে কি করে?
        শুধু শুধুই ওয়েষ্ট অফ্ টাইম
        সে চলে গেলো, হঠাৎ --
        দুফোটা জল পড়ল -
        দৌড়ে গেলাম তার পেছন পেছন,
        চিৎকার করে বললাম -
        ওরে চোখের জল বেরিয়েছে -
            কিন্তু তাকে খুঁজে পেলামনা
        সে নাদেখেই চলে গেল -
            আমার চোখের জল,
        আজও আঝোরে পড়ে, কিন্তু
            তবু কেউ দেখে না।





Monday, July 9, 2012

Pranab Kumar Chaudhuri - Poem: Martyalok

Pranab Kumar Chaudhuri - Poem: Martyalok

Click on the Poem to read it clearly
স্পষ্টভাবে পড়ার জন্য কবিতার উপর ক্লিক করুন
Pranab Kumar Chaudhuri's Poem: Martyalok

Tuesday, June 26, 2012

Short Story of Arpita Dutta : Jibaner Mukhomukhi

জীবনের মুখোমুখি
অর্পিতা দত্ত
    এবারে পর্দার রঙ গোলাপী বদলে নীল হল এবং আমার নতুন বন্ধুটির নাম টুটু৷ এই তিন দিন হল টুটুরা এখানে এসেছে৷ওর আগে বিল্লু এবং বিল্লুর আগে আমার বন্ধু ছিল তুন৷ কি অদ্ভুত সব নাম তাই না? অবশ্য এসব ওদের ডাক নাম, এছাড়া একটা করে ভালো নামও আছে৷ এখনকার দিনের নাকি এটাই চল৷ আমাদের সময়তো একটা নাম দিয়ে ঘরে ও বাইরে চলে যেত৷ আর নামগুলো হতো যুক্তাক্ষর সহ চার-পাঁচ অক্ষর-ওলা, যেমন- সমরেন্দ্রনাথ, লক্ষীকান্ত, ধরনীকান্ত, সজনীকান্ত ইত্যাদি ইত্যাদি৷ যেমন আমার নামটাই ধরুন না কেন অবনী শংকর ব্যানার্জী; অবশ্য এখন সবাই অবনীবাবু /ব্যানার্জীবাবু বলেই ডাকে৷

    তিন বছর থেকে ছোট্টো তুনকে নিয়ে রথিন আর সোমা এসেছিল এবাড়িতে৷ তারপর থেকে ও আমাদের দিদুন-দাদন বলতে পাগল৷ ওর সঙ্গে খেলা, ওকে স্কুলে দিয়ে আসা, নিয়ে আসা সবই এই দাদানের দায়িত্ব৷ আমিও তখন সদ্য অবসরপ্রাপ্ত, তুনকে নিয়ে আমাদেরও সময় কাটতে লাগল৷ কিন্তু সময়তো কারো জন্য থেমে থাকে না৷তুনের বাবার বদলির চাকরি, তাই ওরা সপরিবারে মালদা চলে গেল৷ যাবার সময় তুনের জলে ভরা চোখ আমার আজও মনে পড়ে৷

    তুনরা চলে যাবার পর কিভাবে যে আমাদের দিন কেটেছিল সে শুধুমাত্র আমি ও আমার গিন্নি ছাড়া আর কেউ জানেনা৷তারপরই ঠিক করে ফেললাম যদি বাড়ি ভাড়া দিতে হয় তবে এমন কোন পরিবারের কাছে যেখানে আমার ছোট্ট বন্ধু আছে৷

    এরপর এল বিল্লু ৷ প্রায় সাঢ়ে তিন বছ বিল্লুরা আমাদের বাড়িতে ছিল৷ ওর বাবার বদলি হয়ে যাওয়ার জন্য ওদের শিলিগুড়ি চলে যেতে হয়েছে৷ যখন বিল্লু আমাদের বাড়িতে এসেছিলো তখন ও ক্লাস ওয়ানে পড়ে৷ দেখতে দেখতে তিন বছর কেটে গেল৷

    গল্প প্রসঙ্গে আমাকে নিঃসন্তান মনে হলেও বাস্তবে আমার এক পুত্র, পুত্রবধু, নাতী ও নাতনী বর্তমান৷সায়ন যেবার মেডিকেলে চান্স পেল তখন বাড়িসুদ্ধ লোকের কি আনন্দ৷ ভেবেছিলাম ও ডাক্তার হয়ে ফিরে এলে একটি দাতব্য চিকিত্সালয় খুলে দেব৷ যেখানে বিনা খরচায় গ্রামের রোগীদের চিকিত্সা হবে৷ কিন্তু তা আর হলো কোথায়৷ স্বপ্নের জগv আর বাস্তব জগv-এর বিশাল ব্যবধান তা ছেলে বুঝিয়ে দিল৷ সায়ন পাশ করে ওখানকারই এক সরকারী হাসপাতালে চাকুরী ও প্রাকটিস শুরু করে দিল এবং ওখানেই থাকার সিদ্ধান্ত নিল৷ প্রথম প্রথম ছুটি-ছাটায় বাড়ি আসলেও পরে তা কমে গেল৷ ওর মার কথামত দেখে শুনে এখানকারই মেয়ে কনিকার সাথে ওর বিয়ে দিলাম৷ ভেবেছিলাম ছেলে আমার বাপের বাড়ির টানে যদি আসে! কিন্তু এই চেষ্টাও বিফল৷ সুতরাং আমরা এখআনে দুই বুড়ো-বুড়ি থেকে গেলাম৷


    আমার ধারনা ছিল যাদের ঘরে শুধুমাত্র কন্যা-সন্তান থাকে তারাই কেবল শেষ বয়সে মেয়ে বিয়ে দিয়ে বুড়ো-বুড়ি একে অপরের সঙ্গী হয়৷ কিন্তু এখন সেই ধারণা পুরোপুরি ভুল৷ সকলে বলে থাকে আজকের দিনে ছেলে-মেয়ের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, সবাই সমান৷ এই সত্যের যথাযথ প্রমান পেয়েছি আমি ও আমার গিন্নি৷ আমার যদি এখন ছেলে না থেকে একটা মেয়ে থাকত, সেওতো আমাদের ছেড়ে তার নিজের ঘরকন্না নিয়ে ব্যস্ত থাকতো!----- তাই বলে মনে করবেন না সায়নের প্রতি আমার কোন অভিমান আছে৷ ওতো ওর নিজের কর্তব্য পালন করছে৷


    প্রত্যেক মানুষের মতো আমারও স্বপ্ন ছিল শেষ বয়সে স্ত্রী, ছেলে, ছেলেবউ, নাতী-নাতনী নিয়ে ভরা সুখী জীবন৷কিন্তু ওই বললাম স্বপ্নের জগv আর বাস্তব জগv-এর ব্যবধান৷ ইচ্ছে থাকলে ও উপায় নেই৷ যারা এখন মধ্য গগনে তারা এখন ভাবতে পারেন বুড়োটা একা থেকে থেকে হতাশায় ভুগছে৷ কিন্তু তা নয়, আমিতো আমার ছোট্টো বন্ধুদের নিয়ে ভালোই আছি৷শুধু মাঝে মাঝে বুবাই আর তিতলির জন্য বড় খারাপ লাগে; তাছাড়া ছোটো থেকে ঠাম্মি-দাদুর আদর কতটুকুই-বা পেয়েছে ওরা৷ 


##################

Friday, June 22, 2012

Andha Goli by Biplab Kumar Maity

অন্ধগলি
বিপ্লব কুমার মাইতি
অন্তসার শূন্য যুবকের ক্রন্দন রোল-
      আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হয় নারিকে চাহীয়া
চাতকের বারি সুধা পান করেনি যে -
     হৃদয়ে রয়েছে শুধু নারীর উত্তরের প্রতীক্ষা৷
দুর্নিবার উচ্চাকাঙ্খা আর প্রেম বোধ -
     দুই জোড়া তরী ভাসিয়ে দেয় সাগর পানে
মধ্যগগনে তখন শুধুই রবির বিলাপ
     রবি যতই হোক তেজদ্বীপ্ত
প্রেম কাতর প্রমিক মন; যে
    যাবেনা তারে বাঁধা তুচ্ছ ইন্দ্রজালে৷
অর্থ লিপ্সায় স্নাত নারী; দেয় হাতছানি - 
    ভালো বেশে আসে নারী, দুলনায় সে পটু,
প্রেমিক হৃদয় তখন রক্তাক্ত মরুভূমি - 
    বাস্তব শক্তিটুকু পেয়েছে তার লোপ৷
কোন এক মৌসিন রামের প্রত্যাশায় -
    দেশ, কাল, জাতি, ধর্ম দেয় সে জলাঞ্জলি -
জন্মদায়ীনী হয় সেদিন পরিত্যক্তা৷

     ফিরে আসে পুরুষ সেই পুরানো মাতৃকোলে,
        প্রেম যেদিন যায় চলে পিঞ্জর হতে -
     ফেলে আসা দুঃখে পায় অনেক আত্ম চেতনা -
       হারিয়ে যাওয়া মুহুর্ত চায় শুধু ক্ষমা প্রার্থনা৷৷